একবিংশ শতকের ক্রিকেটীয় পুনঃ নির্মাণের অন্যতম ব্যক্তিত্ব , ৩৬০ ডিগ্রি ব্যাটসম্যান নামে খ্যাত দক্ষিণ আফ্রিকার প্ৰাক্তন দলনায়ক ও উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান আব্রাহাম বেঞ্জামিন ডি' ভিলিয়ার্স ওরফে এবি ডি 'ভিলিয়ার্স গত ২৩ মে ২০১৮ , আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কে বিদায় জানালেন। টেস্টে ৮৭৬৫ রান, একদিনের খেলায় ৯৫৭৭ রান এবং টি-টোয়েন্টি খেলায় ১৬৭২ রানকারী এই ব্যাটসম্যান আন্তর্জাতিক খেলা থেকে অবসরের সাথে জানান যে তিনি বিদেশে আর খেলবেন কিনা জানেন না কিন্তু টাইটান-এর হয়ে ঘরোয়া খেলায় তাকে পাওয়া যাবে, যা নি:সন্দেহে তার আই পি এল খেলা প্রশ্নের মুখে পরে গেলো। মনে রাখতে হবে আই পি এলে তিনি ২০০৮ সালে দিল্লি ডেয়ারডেভিলসের হয়ে শুরু করেন , ২০১১ থেকে এই মরশুম অবধি তিনি ব্যাঙ্গালোরের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিলেন। আই পি এলে ১৪১টি খেলায় ৩৯৫৩ করেছেন ৩৯.৫৩ গড়ে ,৩ খানা শতরান ও ২৮ টা অর্ধশতরান সহ। এছাড়াও ৮৭ খানা ক্যাচ ও ৭ খানা স্ট্যাম্প করেছেন। এখানে উল্লেখযোগ্য টেস্টে ২২ খানা ও একদিনের খেলায় ২৫ খানা শতরান আছে তার।
হোগার্ড-হারমিনসন-ফ্লিন্টফ সমৃদ্ধ ব্রিটিশ দলের বিরুদ্ধে টেস্ট প্রথম খেলেন তিনি ২০০৪ সালে। তাতে ওপেন করে তোলেন ২৮ ও ১৪। দ্বিতীয় টেস্ট-এর দ্বিতীয় ইনিংসে যখন দল খাবি খাচ্ছে তখন ৭ নম্বরে নেমে ৫২ অপরাজিত করে ম্যাচ ড্র করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন তিনি। অবশেষে ৫ম টেস্টে ৯২ ও ১০৯ করে তিনি প্রমান করেন যে তিনি জ্যাকি ম্যাকগ্লিউ - গ্রাহাম পোলক - পিটার কার্স্টেন - গ্যারি কার্স্টেনদের যোগ্য উত্তরসূরি।
দলের হয়ে মাঝে মধ্যেই কিপিং করতেন নিয়মিত কিপার মার্ক বাউচার না থাকলে। অবশেষে বাউচারের পর নিয়মিত কিপার হন যদিও বিশ্ব তাকে ব্যাটসম্যান হিসেবেই মনে রাখবে। জন্টি রোডসের সার্থক উত্তরসূরি রূপে তার ফিল্ডিং দেখার মতো। তা সে আই পি এলে পাখির মতো উড়ে ক্যাচ নেওয়াই হোক বা ২০০৬ সালে সাইমন ক্যাটিচ কে রান আউট বা ২০০৮ সালে ব্যাক ওয়ার্ড পয়েন্ট থেকে এক থ্রো তে উইকেট ভাঙা।
২০০৭ সালের বিশ্বকাপ তার জীবনে মিশ্র ফল এনেছিল।তবুও তার মধ্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সেঞ্চুরি কেউ ভুলবে না , পায়ের শিরায় টান ধরা সত্বেও তার ওই ব্যাটিং ক্রিকেট প্রেমীরা ভোলেনি। ২০১১ সালের বিশ্বকাপে ২ খানা সেঞ্চুরি করেন , ২০১৫ সালে ৪৮২ করেন যার মধ্যে মাত্র ৬৬ বলে ১৬২ করেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে , যা আজ একদিনের খেলায় দ্রুততম ১৫০।
ওই বছরই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ৪৪ বলে ১৪৯ করেন যার মধ্যে ১৬ বলে ৫০ (বিশ্বরেকর্ড) , ৩১ বলে ১০০ (বিশ্বরেকর্ড ) আছে।
মনে রাখতে টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে দ্রুততম শতরান , অর্ধশতরান , একই ম্যাচ এ(টেস্টে) ১০ টা শিকার ও শতরান সবই তার নামে। গ্রাহাম পোলকের পরে তিনিই দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে দ্রুততম টেস্টে ১০০০ রান কারি, দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ভারতের বিরুদ্ধে প্রথম দ্বি-শতরানকারী ,আবার একই সাথে ড্র করার জন্য ২৯৭ বলে ৪৩ রানের ইনিংসও খেলেছেন ।
আজকালের ক্রিকেট যখন বিদ্বেষ বাক্য ও নানারকম অখেলোয়াড়োচিত আচরনে ভরপুর , সেখানে এবি ছিলেন মূর্তিমান ভদ্রতা। তার উচ্ছলতা বা চপলতার পেছনে বেরিয়ে আসতো কঠোর প্রত্যয়ী চরিত্র , যে হারবার আগে হারতে জানতো না। ফর্মে থাকতে থাকতে অবসর নিলেন বর্ণবিদ্বেষমুক্ত দক্ষিণ আফ্রিকার দ্বিতীয় প্রজন্মের সেরা ব্যাটসম্যান যিনি তার পূর্বসূরিদের সাথে সম্মানের সাথেই থাকবেন।
ভদ্রলোকীয় ধর্মের আব্রাহাম , বাকি খেলোয়াড় জীবন এভাবেই কাটাবেন আশা করা যায়।
হোগার্ড-হারমিনসন-ফ্লিন্টফ সমৃদ্ধ ব্রিটিশ দলের বিরুদ্ধে টেস্ট প্রথম খেলেন তিনি ২০০৪ সালে। তাতে ওপেন করে তোলেন ২৮ ও ১৪। দ্বিতীয় টেস্ট-এর দ্বিতীয় ইনিংসে যখন দল খাবি খাচ্ছে তখন ৭ নম্বরে নেমে ৫২ অপরাজিত করে ম্যাচ ড্র করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন তিনি। অবশেষে ৫ম টেস্টে ৯২ ও ১০৯ করে তিনি প্রমান করেন যে তিনি জ্যাকি ম্যাকগ্লিউ - গ্রাহাম পোলক - পিটার কার্স্টেন - গ্যারি কার্স্টেনদের যোগ্য উত্তরসূরি।
দলের হয়ে মাঝে মধ্যেই কিপিং করতেন নিয়মিত কিপার মার্ক বাউচার না থাকলে। অবশেষে বাউচারের পর নিয়মিত কিপার হন যদিও বিশ্ব তাকে ব্যাটসম্যান হিসেবেই মনে রাখবে। জন্টি রোডসের সার্থক উত্তরসূরি রূপে তার ফিল্ডিং দেখার মতো। তা সে আই পি এলে পাখির মতো উড়ে ক্যাচ নেওয়াই হোক বা ২০০৬ সালে সাইমন ক্যাটিচ কে রান আউট বা ২০০৮ সালে ব্যাক ওয়ার্ড পয়েন্ট থেকে এক থ্রো তে উইকেট ভাঙা।
২০০৭ সালের বিশ্বকাপ তার জীবনে মিশ্র ফল এনেছিল।তবুও তার মধ্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সেঞ্চুরি কেউ ভুলবে না , পায়ের শিরায় টান ধরা সত্বেও তার ওই ব্যাটিং ক্রিকেট প্রেমীরা ভোলেনি। ২০১১ সালের বিশ্বকাপে ২ খানা সেঞ্চুরি করেন , ২০১৫ সালে ৪৮২ করেন যার মধ্যে মাত্র ৬৬ বলে ১৬২ করেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে , যা আজ একদিনের খেলায় দ্রুততম ১৫০।
ওই বছরই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ৪৪ বলে ১৪৯ করেন যার মধ্যে ১৬ বলে ৫০ (বিশ্বরেকর্ড) , ৩১ বলে ১০০ (বিশ্বরেকর্ড ) আছে।
মনে রাখতে টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে দ্রুততম শতরান , অর্ধশতরান , একই ম্যাচ এ(টেস্টে) ১০ টা শিকার ও শতরান সবই তার নামে। গ্রাহাম পোলকের পরে তিনিই দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে দ্রুততম টেস্টে ১০০০ রান কারি, দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ভারতের বিরুদ্ধে প্রথম দ্বি-শতরানকারী ,আবার একই সাথে ড্র করার জন্য ২৯৭ বলে ৪৩ রানের ইনিংসও খেলেছেন ।
আজকালের ক্রিকেট যখন বিদ্বেষ বাক্য ও নানারকম অখেলোয়াড়োচিত আচরনে ভরপুর , সেখানে এবি ছিলেন মূর্তিমান ভদ্রতা। তার উচ্ছলতা বা চপলতার পেছনে বেরিয়ে আসতো কঠোর প্রত্যয়ী চরিত্র , যে হারবার আগে হারতে জানতো না। ফর্মে থাকতে থাকতে অবসর নিলেন বর্ণবিদ্বেষমুক্ত দক্ষিণ আফ্রিকার দ্বিতীয় প্রজন্মের সেরা ব্যাটসম্যান যিনি তার পূর্বসূরিদের সাথে সম্মানের সাথেই থাকবেন।
ভদ্রলোকীয় ধর্মের আব্রাহাম , বাকি খেলোয়াড় জীবন এভাবেই কাটাবেন আশা করা যায়।

No comments:
Post a Comment