সুমিত গাঙ্গুলীঃসেটা ১৯৮৭ সাল ভারতীয়
ক্রিকেটের সর্বকালীন শ্রেষ্ঠ নক্ষত্র বিদায় নিল খেলা থেক,সুনিল গাভাস্কার। অনেকেই
ভাবছিল এরকম খেলোয়াড়-এর বিকল্প
হবেনা।বাস্তবিক-ই ৭৪ জন ফাস্ট বোলার সামলানো
খেলোয়াড় –এর বিকল্প হয় না।কিন্তু ভারতীয় ক্রিকেটের পীঠস্থান বোম্বাই কিছু অন্য রকম-ই ভাবছিল। তার
চিহ্ন ৮৭-৮৮ সালেই হ্যারীস শীল্ড ও গাইজ লিগ-এ পাওয়া যায়। কিন্তু আসল
ঘটনা ঘটা শুরু করল ৮৮-৮৯ এর রঞ্জি ট্রফি থেকে।
১৩ই ডিসেম্বর ১৯৮৮ সালে
বোম্বেতে শুরু হল গুজরাট বনাম বোম্বের রঞ্জি
ম্যাচ। ভেঙ্কসারকার সেইদিন বিশাখাপত্তনাম-এ নিউজিল্যান্ড-এর সাথে ভারতের নেতৃত্ব
দিছিলেন।ফলে বোম্বের আধিনায়ক ছিলেন লালচাঁদ রাজপুত। গুজরাতের আধিনায়াক ধানুষ্ক
প্যাটেল টসে জিতে ব্যাটিং নিলেন। প্রদিপ খালসিওয়াল(৪/২৮)ও অনুপ সাবনিস (৫/৪১)এর
ধাক্কায় ৫০.১ ওভারে ১৪০ রানে শেষ। লালিওয়ালা(৪২) ছাড়া গুজরাটের কাউকে দেখে মনে
হয়নি এরা ব্যাট করতে পারে।
বোম্বের হয়ে ইনিংস-এর
সূচনা করতে নামলেন রাজপুত ও শিশির। দলীয় ৪৭ রানের মাথায় ধানুষ্ক প্যাটেল-এর বলে
শিশির ৩৫ করে ফিরলেন। প্রথম দিনের শেষে বোম্বে ৯৫/১। তখন সারা ভারত জানেনা কাল কি
হতে চলেছে।
ওদিকে বিশাখাপত্তনামে নিউজিল্যান্ডকে ১৯৬ রানেশেষ করে দিয়েছে। জন্স ৬৩ ও রাদার ফোর্ডের ৭৫।
শ্রীকান্ত বল হাতে ৫ উইকেট নেয় ২৭ রানে।জবাবে ভারত ৪৬.২ওভারে ৬উইকেট-এ ১৯৭ রান করে
জিতে যায়। শ্রীকান্ত ৭০ করে। আজহার ৪৮ করে। ভেঙ্কসারকার শূন্য করে আউট হয়।
গুজরাট বনাম বোম্বের
রঞ্জি-র দ্বিতীয় দিন ১৪ই ডিসেম্বর অ্যালান সিপ্পির সাথে আরও ১১১ রান যোগ করে ২০৬
রানের মাথায় দুর্ভাগ্যজনক ভাবে রান আউট হন রাজপুত। ব্যক্তিগত ৯৯রানের মাথায়। এর পর
ঘটে আগামি আড়াই দশক ব্যাপী আধিপত্তের
প্রথম সূচনা। ব্যাট হাতে নামেন দশম শ্রেণীর স্কুল ছাত্র ১৫ বছর ৭মাস ১৭ দিন বয়সী সারদাশ্রম
বিদ্যাপিঠ এর ছাত্র। মারাঠি ভাষার অধ্যাপক পিতা ও ব্যাঙ্ক কর্মী মাতার পুত্র
বিস্ময়-বালক শচীন তেন্ডুলকার। এর পর অ্যালান সিপ্পির সাথে মিলে শচীন তেন্ডুলকার যোগ করেন ১৫৫ রান। সিপ্পি ৫ ঘণ্টা ৪৫
মিনিট ব্যাট করে ১৪টা ৪ ও ১টা ৬এর সাহায্যে করেন ১২৭। তিনি যখন আউট হন দলের তখন
৩৬১।এর পর রাজপুত ইনিংস ডিক্লেয়ার্ড
করছিলেন না শুধু শচীন-এর শতরানের জন্য।
শচীন-এর ছিল ৯২(১২৭বলে)। ততক্ষণে ১২টা ৪ হয়ে গেছে। সিপ্পিকে আউট করা জিন্টো তখন বল করছেন। তার বোলিং ফিগার ১৬.৩ ওভার বল
করে ৩৮ রান দিএ ২টি উইকেট নেন। জীবনের
প্রথম পথম শ্রেণির ম্যাচ খালতে নামা শচীন পরপর দুটি বলে স্টেপ আউট করে ৪ মারে। ফলে বোম্বে ১০৫.৫
ওভারএ ৩৯৮/৬। শচীন ১২৯ বলে ১০০করে
আপরাজিত থাকেন। রঞ্জিতে ৬৩তম খেলোয়াড়। বোম্বের ৬ষ্ঠ তম খেলোয়াড় যিনি রঞ্জির
আভিষেক ম্যাচে শতরান করেন।৩৮ বছর আগে মাধব রাও আপ্তে সৌরাষ্ট্রর বিরুদ্ধে ১০৮ রান
করেছিলেন। তারপর এই। এরপর আবশ্য মিশ্ত্রির ১২০র উপর ভর করে গুজরাট ৯৬.২ ওভারএ ৩০৬
রান করেন। খালসিওয়াল আবার ৪/১৪ ও সাবনিস ৩/৮৯। জবাবে বোম্বে ৭ ওভারএ ২ উইকেটে ৪৩
রান তোলার পর ম্যাচ ড্র। ম্যাচ থেকে বোম্বের সংগ্রহ ১৩ পয়েন্ট ও গুজরাটের ৪
পয়েন্ট।
মনে রাখতে হবে এই সময়কাল ভারতীয় ক্রিকেট-এর পক্ষে খুবই ডামাডোল পূর্ণ। এই বছর ('৮৮-৮৯) ভারত নিউজিল্যান্ডকে এক দিনের সিরিজে ৪-০তে হারায় এবং টেস্ট সেরিজ ড্র করে ১-১এ। এর পর ওয়েস্ট ইন্ডিজ -এ গিয়ে ৩-০তে হারে।এক দিনের সিরিজে ৫-০তে হারে। বহুদিন পর কপিল দেব টেস্ট এ বার দুয়েক ৫উইকেট পান। দলে হিরওয়ানি বা আয়ুব স্পিনে ভালো খেললেও ভরসা করতে পারেনি। সাঞ্জায় মঞ্জেরেকার ছাড়া তেমন কেউ ভবিষ্যতের জন্য ছিল না। আজাহার, সিধুকে এই তালিকায় রাখা যায়।
ফলত সময় কাল ছিল জটিল। বহু লোকেরই(ক্রিকেট প্রেমী এবং নির্বাচকদের)নজর ছিল ঘরোয়া ক্রিকেট-এর দিকে। যেখানে কিছু গুরুত্ব পূর্ণ ঘটনা ঘটে। দিল্লির মনোজ প্রভাকার সেই বছর জাতীও দলে সুযোগ পাননি। রঞ্জিতে সেই বছর ৫৩২ রান করেন ও ৩৯টা উইকেট পান। হরিয়ানার বিরুদ্ধে ১০৬, হিমাচল প্রদেশের বিরুদ্ধে ২২৯( বল হাতে ৭-৭৭), উড়িষ্যার বিরুদ্ধে ১০৭ রানে ১০ উইকেট সেমি ফাইনালে বোম্বের বিরুদ্ধে ১২৩ ও ১১। ফাইনালে বাংলার বিরুদ্ধে বল হাতে ২ ইনিংস মিলিয়ে ৬/১০৭ করেন। এবং নিজেকে নজরে আনতে বাধ্য করেন। এছারাও দলীপ ট্রফিতে ব্যাট হাতে গড় ছিল ৪২। দেওধরে ছিল ৬টা উইকেট। উইলস ট্রফিতে ব্যাট হাতে ১টি ৫০রান সহ গড় ছিল ৬১.৫০ ও বল হাতে ৮টি উইকেট(৩টি ম্যাচে)
অজয় জাদেজার অভিষেক হয় ঐ বছর ২৩-২৫ অক্টোবর।
জম্বু কাশ্মীরের বিরুদ্ধে শ্রীনগর-এ। প্রথম ম্যাচেই ৯ টা ৪সহ ৭৯ রান করেন। ঐ বছর ৫ ম্যাচে ২২১ রান করে কিন্তু চোখ টানেন ফিল্ডিংএ(৭টা ক্যাচ)। '৮৯এর প্রথম দিকে অনূর্ধ্ব১৯ ভারতীয় দলের হয়ে তিনি পাকিস্তান সফরে যান। মোট ৪১০ করেন (২৯.২৮),৪টি ৫০রান সহ ৮টি ক্যাচ লোফেন। ১২টি উইকেট পান।
বরোদার নয়ন মোঙ্গিয়াও এই সফরে ৭ ম্যাচে ৪১৩ রান করেন(৩৪-৪১ গড়) ২টি ৫০ রান,২১টা ক্যাচ ,১টা স্ট্যাম্প তার ঝুলিতে।
কেরলের অনন্তপদ্মনাভন এই বছর রঞ্জিতে অভিষেক হয়। ৩ ম্যাচে ৬টা উইকেট পান।
মধপ্রদেশের রাজেশ চৌহানেরও এই বছর রঞ্জিতে অভিষেক। ৫টা ম্যাচে ২১টি উইকেট পান। তার প্রথম ম্যাচ ১৩-১৫ নভেম্বর ১৯৮৮,রাজস্থান-এর বিরুদ্ধে ৬৯ রানে ১১ উইকেট পান।
মহারাষ্ট্রের সলিল আঙ্কোলার ১৭-১৯এ ডিসেম্বর গুজরাটের বিরুদ্ধে পুনেতে অভিষেক হয়। হ্যাট্রিক সহ ম্যাচে ১৪৫ রানে ৭ উইকেট ও ব্যাট হাতে ৪৩ রান করেন। ঐ বছর রঞ্জিতে ৫ ম্যাচে ৬৫রান ২৪উইকেট তাকেও পরিচিতি দেয়।
এছাড়াও শোনা
যাচ্ছিলো আশীষ জাইদি,
ভূপিন্দর
সিং,
জ্ঞানেন্দ্র
পান্ড্যে,
বাংলার
স্নেহাশীষ গাঙ্গুলী ,
সাগরময় সেনশর্মা
দের নাম। পুরোনোদের মধ্যে তখনও বসন্ত রঞ্জনে , রজার বিনি , মদনলাল, যশপাল শর্মা , কিরমানি, সন্দীপ পাতিল , টি.এ. শেখর রা তখনও তাল ঠুকছে। এমনকি
অংশুমান গায়কোয়াড ও। অশোক মালহোত্রা তো আছেনই। নাম শোনা যাচ্ছে শ্রীকান্ত
কল্যাণী(মহারাষ্ট্র ) ,
ভেঙ্কটপতি রাজু
( হায়দ্রাবাদ) ,
কানওলজিত সিং
(হায়দ্রাবাদ )-দের. তাছাড়া তামিলনাড়ুর ভেঙ্কটরমণ , রবিন সিং (সিনিয়র) বা বিহারের সবা করিম রা এর
পর ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে যান। রবিন সিং দুটো ওয়ান ডে ম্যাচ ও খেলেন।
প্রবীণ আমরে ওই বছর খেলেন রেলের হয়ে।
এবং কৌতূহলের
বিষয় হলো সুমিত ডোগরা ,
রাহুল দ্রাবিড় , সৌরভ গাঙ্গুলী , বিনোদ কাম্বলি রা তখন অনুর্দ্ধ -১৭ , জোনাল স্তরে ভালো নাম করে ফেলছেন।
কিন্তু সকলকে
ছাপালেন একজনই। তিনি শচীন তেন্ডুলকর। রাজকোটে সৌরাষ্ট্রর বিরুদ্ধে
(১৭-১৯ ডিসেম্বর) ৫৮ ও ৮৯। তিন ইনিংসের শেষে ১২৩.৫০ গড়ে ২৪৭
রান। দুটো ৫০ ,
একটা ১০০.আজকের
চেতেস্বর পুজারার কাকা বিপিন পূজারা সেই ম্যাচে খেলেছিলেন সৌরাষ্ট্রর হয়ে।
বছরের শেষে বরোদার বিরুদ্ধে প্রথম ব্যার্থ হলেন।
তাও ১৭ রান করেন। বিপক্ষ দলে ছিলেন তুষার আরোথে, কিরণ মোরে, অংশুমান গায়কোয়ার এর মতো আজীবন গুজরাট বাসি
মারাঠিরা।এই ম্যাচেই প্রথম বোলিং প্রথম শ্রেণীতে(৪-০-১১-০)। এরপর ১৪-১৬ জানুয়ারি ১৯৮৯ , ঔরঙ্গাবাদে মহারাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ৮১ ও ৪ করে
অপরাজিত।আঞ্চলিক লিগে বোম্বে দ্বিতীয় হয়ে তালিম ট্রফি না পেলেও শচীন ৬ ইনিংসে ৩৪৯
(গড় ৮৭.২৫)। ৩ খানা ৫০, ১ খানা ১০০।
প্রি-কোয়ার্টার
ফাইনালে আবার ৫৯ ও ১৫। এবার হায়দ্রাবাদের বিরুদ্ধে।বিবেক জয়সিমা,রাজু, আরশাদ আয়ুব, নরসিম্হা রাও রা ঠান্ডা, মূলত : তিনি ও বেঙ্গসরকার(৬৪) এর করা পঞ্চম উইকেটে
মূল্যবান ১১৮ রান বোম্বে প্রথম ইনিংসে এগিয়ে দেয়.
কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি উত্তর প্রদেশ।
এবার ৭ আর ৭৫। বোম্বে আবার জয়ী অবশেষে সেমিফাইনালে বোম্বে দিল্লির কাছে
পরাজিত প্রথম ইনিংসের ব্যবধানে। কিন্তু সেখানেও সচিন ৭৮। মোট সেবার ৬৪.৭৭
গড়ে ৫৮৩। ১ টা শতরান। ৬ টা অর্ধশতরান। ০ এক্নবার ও নয়। 'ইন্ডিয়ান ক্রিকেট ' লিখলো "সবথেকে আশাপ্রদ ব্যাপার হলো নতুন
খেলোয়াড় ১৫ বছরের শচীন টেন্ডুলকার।প্রথমে লিগে ৩৪৯, ৮৭.২৫ গড়ে এবং অবশেষে ৫০০ রান এক মরশুমে।
বোম্বের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ এই খেলোয়াড় কঠিন সময়েও স্বাভাবিক খেলা খেলেছে এমনকি ঘূর্ণি পিচেও। স্পিন-পেস দুটোতেই সে সমান স্বচ্ছন্দ সে।
তিনি অবশ্যই বেঙ্গসরকার, মঞ্জরেকার,
রাজপূত ও
হাতটাঙগারির মতো খেলোয়াড় হবে". (ব্লসমিং অফ দ্য ইয়ুথ - পৃ-১২৯ , প্রদীপ বিজয়কার , ইন্ডিয়ান ক্রিকেট , ৪৩ তম এডিশন ) .
লেখক বোঝেননি, এ সবে শুরু ছিল। এর পর ঐ ১৯৮৯
সালে ইরানি ট্রফিতে দিল্লির বিরূদ্ধে ৩৯ ও ১০৩ হবে। আর তার পরই ১৬ বছর ২০৫
দিন বয়সে অর্থাৎ প্রথম শ্রেণী ক্রিকেটে অভিষেকের ঠিক ৩৫৩ দিন পর টেস্ট ক্রিকেটে
অভিষেক ঘটবে। লেখক কি জানতেন ?
জয় জিন্টো! সে কি জানতো তার হাত ধরেই শুরু হতে চলেছে আর
এক মুম্বইকর গাভাস্কারের ৮১ খানা সেঞ্চুরি ছোয়ার শুভ সূচনা ?
গাভাস্কারের
স্মৃতিমেদুরতা তখনও কাটেনি (মাত্র ২ বছর)।সেদিন অবশ্য
কেউই শচীনকে গাভাস্কার ভাবেননি। কিন্তু গাভাস্কার কি ভেবেছিলেন?
'৮৭-'৮৮ সালে এক মরশুমে স্কুল ক্রিকেটে ২৫০০ এর
বেশি রান করা বা গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ড এ কাম্বলির সাথে নাম তোলা, ২ খানা ট্রিপল সেঞ্চুরি করা সত্বেও যখন 'শান্তভাই দেশমুখ' জুনিয়র ক্রিকেটার ট্রফি টা শচীন পেলেন না , পেলেন যতীন পরাঞ্জপে , বাসু পরাঞ্জপের ছেলে , পরবর্তী কালের বোম্বের নির্ভরযোগ্য
ব্যাটসম্যান হলেও ODI তে মাত্র ২-৩ খানা ম্যাচ খালেছেণ। শচীন ভেঙে পড়েছিলেন। খেলা ছাড়তে
চাইছিলেন। জানতে পেরে গাভাস্কার চিঠি লিখে শচীন কে সমবেদনা জানিয়ে বলেন যে
ঠিক শচীনের মতো তিনিও শান্তাভাই দেশমুখ ট্রফি কোনোদিন পাননি। ফলে ঘাবড়াবার
কিছু নেই।
না ঘাবড়ায়নি
শচীন। কিন্তু ঘাবড়ে গেলো ভবিষ্যৎ। টেস্টে প্রায় ১৬,০০ রান , একদিনের আন্তর্জাতিক খেলায় ১৮,০০০+। প্রথম
শ্রেণীতে ২৫,০০০, লিস্ট এ তে প্রায় ২২,০০০(১ রান কম) . টি
টোয়েন্টি তে ২৭০০+।সেঞ্চুরি ? টেস্টে ৫১, একদিনের আন্তর্জাতিক এ ৪৯, প্রথম শ্রেণীতে ৮১, লিস্ট এ তে ৬০, টি টোয়েন্টি তে ১ খানা। প্রথম একদিনের
আন্তর্জাতিক ম্যাচে ডবোল সেঞ্চুরি। আরো সব কি
কি আছে। ২০০ খানা টেস্ট , বিশ্বকাপ,
রঞ্জি কত কিছু।
ঘাবড়ে যায়নি ভবিষ্যৎ ?
কোথায় কাম্বলি ? ২ খানা ডবল সেঞ্চুরি করে শেষ. মঞ্জেরকার? ১ খানা ডবল সেঞ্চুরি করে শেষ. ১৯৯৬ সাল থেকে
আন্তর্জাতিক খেলায় ব্রাত্য। এখন ধারাবিবরণী দেন। লালচাঁদ রাজপূত? লোকে নাম ভুলে গেছে। বেঙ্গসরকার কে
কেউই ভোলেনি কিন্তু শিশির হাতটাঙগারি? মুম্বাইও নাম ভুলে গেছে। প্রভাকর ১৯৯৬
তে শেষ. জাদেজা ২০০০ সালে ,
আজহার ২০০০ সালে
,
আনকোলা ১৯৯৬
সালে (এখন অভিনয় করেন ) , চৌহান ১৯৯৭,
রাজু ২০০১, মোঙ্গিয়া ১৯৯৯, আর জাইদি , ভুপিন্দর , পদ্মনাভন , স্নেহাশিস , কানোবলজিৎ , জ্ঞানেন্দ্র পান্ডে, সাগরময়রা সিনিয়র আন্তর্জাতিক অবধি
আসতেই পারেননি।
শুধুই শচীন, তার সাথে ? টেস্টে ৩৬ খানা সেঞ্চুরি করা রাহুল দ্রাবিড়
আর ১৭ খানা টেস্ট সেঞ্চুরি করা সৌরভ গাঙ্গুলি। বাকিরা? .....
ভ্যানিশ
আজ সেই
ক্রিকেটীও নক্ষত্রের জন্মদিন ২৪এ এপ্রিল। শুভ জন্মদিন শচীন তেন্ডুলকর।
#এই লেখাটি ইংলিশে পড়তে
এখানে টিপুন...।
#এক নজরেঃ
#সময়টা বেশ ভালই যাছে ইশান্তের
#ইশান্তের ৫ উইকেট, খেলা হোলনা পুজারার
#বিশ্ব-কাপ কোয়ালিফায়িং রাউন্দে
#এক নজরেঃ
#সময়টা বেশ ভালই যাছে ইশান্তের
#ইশান্তের ৫ উইকেট, খেলা হোলনা পুজারার
#বিশ্ব-কাপ কোয়ালিফায়িং রাউন্দে

No comments:
Post a Comment