একসময় যখনই কোনো দেশের মধ্যে টেস্ট সিরিজ হতো তখনি প্রচুর সাইড ম্যাচ ও খেলা হতো। ভারত ওয়েস্ট ইন্ডিজ ইংল্যান্ডে গেলে স্কটল্যান্ড বা আয়ারল্যান্ড , হল্যান্ডে ম্যাচ খেলতো। ভারতে খেলতে এসে এম সি সি ১৯২৬ সালে সিলোন , বার্মা খেলতে গিয়েছিলো। কিন্তু আজ ক্রিকেট অনেক পেশাদার। এখন আর দুর্বল অনুন্নত: ক্রিকেট খেলিয়ে দেশের সাথে ওই ভাবে খেলা হয়না। আই সি সি অনেক যুক্তি গ্রাহ্য নিয়ম তৈরী করার চেষ্টা করছে। তারই ফলস্বরূপ আগামী ১লা জুলাই থেকে মহিলা ক্রিকেটের সব টি টোয়েন্টি খেলা আন্তর্জাতিকের সন্মান পেয়ে যাচ্ছে। কিন্তু তার আগে এশিয়া কাপ হচ্ছে কুয়ালালামপুরে । যেখানে থাইল্যাণ্ড, মালয়েশিয়া খেলছে।এবং যথারীতি সব খেলা আন্তর্জাতিক নয়। কিন্তু এখনো অবধি যা খেলা হয়েছে তাতে পরিস্থিতি ভয়াবহ।
৩ ও ৪ জুন প্রথম দুদিনে ৬ খানা খেলা হয়েছে। ৩ জুন প্রথম খেলায় মিতালি রাজের অপরাজিত ৯৭ রানের ওপর নির্ভর করে ভারত ৩ উইকেটে ১৬৯ রান করে জবাবে মাত্র ২৭ রানে মালয়েশিয়া অল আউট হয়ে যায়। দিনের অপর খেলায় বাংলাদেশ ৬৩ রানে অল আউট হয়ে যায়। শ্রীলঙ্কা মাত্র ৪ উইকেটে ৬৪ রান তুলে ম্যাচ জিতে যায়। তৃতীয় খেলায় থাইল্যান্ড ৮ উইকেটে ৬৭ রান করে। তারা ২০ ওভারে মাত্র ৩ খানা চার্ মারে। জবাবে পাকিস্তান ১৩.২ ওভারে ২ উইকেটে ৭০ রান তুলে ম্যাচ জিতে যায়।
পরের দিন ৪ জুন প্রথম খেলায় পাকিস্তান ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ৯৫ রান করে। জবাবে বাংলাদেশ ১৭.৫ ওভারে ৯৬ তুলে নেয় ৩ উইকেটে। দ্বিতীয় খেলায় ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৩২ রান করে ভারত। জবাবে থাইল্যাণ্ড ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ৬৬ রান করে। এই খেলায় থাইল্যান্ড ১ খানা মাত্র চার্ মারে। তৃতীয় খেলায় শ্রীলংকা ৩ উইকেটে ১৩৬ রান তোলার পর মালয়েশিয়া ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ৪৬ রান করে। তারাও মাত্র ১ খানা চার্ মারে। যা আজকের টি- টোয়েন্টী ক্রিকেটের যুগে অবাস্তব । একটু নজর করলেই দেখতে পাবেন যে ৬ খানা খেলার ১২ টা ইনিংসে মাত্র তিনবার ১০০ রানের বেশি দলগত রান হয়েছে। একজন খেলোয়াড়ই অর্ধশত রান করেছেন ।
এই অবস্থা দেখে আই সি সি নীতির ভবিষ্যৎ সম্পর্কে প্রচুর প্রশ্ন উঠে যাচ্ছে। সারা পৃথিবীতে মেয়েদের ক্রিকেটে ইংল্যান্ড , অস্ট্রেলিয়া , নিউজিল্যান্ড আর ভারত সবথেকে শক্তিশালী দল। তারপর ওয়েস্ট ইন্ডিজ , দক্ষিণ আফ্রিকা , বাংলাদেশ -এর নাম আসে। তারপর আসে শ্রীলংকা , পাকিস্তান এবং সবথেকে দুর্বল জিম্বাবুয়ে, আয়ারল্যান্ড। আফগানিস্তানের এখনও মহিলা দল নেই। বাকিরা তালিকাতে আসার যোগ্য নয়। একথাও ঠিক , যে দুর্বল দেশগুলি বড় দলের সাথে না খেললে উন্নতি করবে না। কিন্তু ২০ ওভারে ১ খানা চার্ মেরে বা ২৭ রানে অল আউট হয়ে গিয়ে
কি উন্নতি তারা করবে তা বলা খুব মুশকিল। এই সময়ে দাঁড়িয়ে ঘোষিত নীতির বাইরে গিয়ে আই সি সি কি অন্য কিছু ভাববে ? কারন এই প্রতিযোগিতা অনেক প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে। বড় দল গুলির আন্তর্জাতিকমান আর বাকিদের মানের মধ্যে আকাশ পাতাল পার্থক্য আছে। টেস্ট খেলিয়ে দেশ গুলিকে সরাসরি সুযোগ দেওয়ার কথা আই সি সি কি ভেবে দেখবে ? আর বাকিদের জন্য কি কোয়ালিফাইং প্রতিযোগিতা করা হবে? নাকি তাদের নিতিতেই আটকে থাকবে ? কোয়ালিফাইকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দেওয়া জেতেই পারে তাতে অসুবিধে নেই কিন্তু সরাসরি এদের খেলানোর কোনো যুক্তি কতটা সেটা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে । বরং সার্ক ক্রিকেটের মতো প্রতিযোগিতা আয়োজন করার কথা ভাবা যেতে পারে যেখানে টেস্ট না খেলা দেশ গুলির সাথে টেস্ট খেলিয়ে দেশের 'এ' দলের খেলা হত। তার জন্য সমস্ত মহিলা দলের 'এ' দলের উন্নতি করা সবার আগে জরুরি ।
#এক নজরেঃ
৩ ও ৪ জুন প্রথম দুদিনে ৬ খানা খেলা হয়েছে। ৩ জুন প্রথম খেলায় মিতালি রাজের অপরাজিত ৯৭ রানের ওপর নির্ভর করে ভারত ৩ উইকেটে ১৬৯ রান করে জবাবে মাত্র ২৭ রানে মালয়েশিয়া অল আউট হয়ে যায়। দিনের অপর খেলায় বাংলাদেশ ৬৩ রানে অল আউট হয়ে যায়। শ্রীলঙ্কা মাত্র ৪ উইকেটে ৬৪ রান তুলে ম্যাচ জিতে যায়। তৃতীয় খেলায় থাইল্যান্ড ৮ উইকেটে ৬৭ রান করে। তারা ২০ ওভারে মাত্র ৩ খানা চার্ মারে। জবাবে পাকিস্তান ১৩.২ ওভারে ২ উইকেটে ৭০ রান তুলে ম্যাচ জিতে যায়।
পরের দিন ৪ জুন প্রথম খেলায় পাকিস্তান ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ৯৫ রান করে। জবাবে বাংলাদেশ ১৭.৫ ওভারে ৯৬ তুলে নেয় ৩ উইকেটে। দ্বিতীয় খেলায় ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৩২ রান করে ভারত। জবাবে থাইল্যাণ্ড ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ৬৬ রান করে। এই খেলায় থাইল্যান্ড ১ খানা মাত্র চার্ মারে। তৃতীয় খেলায় শ্রীলংকা ৩ উইকেটে ১৩৬ রান তোলার পর মালয়েশিয়া ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ৪৬ রান করে। তারাও মাত্র ১ খানা চার্ মারে। যা আজকের টি- টোয়েন্টী ক্রিকেটের যুগে অবাস্তব । একটু নজর করলেই দেখতে পাবেন যে ৬ খানা খেলার ১২ টা ইনিংসে মাত্র তিনবার ১০০ রানের বেশি দলগত রান হয়েছে। একজন খেলোয়াড়ই অর্ধশত রান করেছেন ।
এই অবস্থা দেখে আই সি সি নীতির ভবিষ্যৎ সম্পর্কে প্রচুর প্রশ্ন উঠে যাচ্ছে। সারা পৃথিবীতে মেয়েদের ক্রিকেটে ইংল্যান্ড , অস্ট্রেলিয়া , নিউজিল্যান্ড আর ভারত সবথেকে শক্তিশালী দল। তারপর ওয়েস্ট ইন্ডিজ , দক্ষিণ আফ্রিকা , বাংলাদেশ -এর নাম আসে। তারপর আসে শ্রীলংকা , পাকিস্তান এবং সবথেকে দুর্বল জিম্বাবুয়ে, আয়ারল্যান্ড। আফগানিস্তানের এখনও মহিলা দল নেই। বাকিরা তালিকাতে আসার যোগ্য নয়। একথাও ঠিক , যে দুর্বল দেশগুলি বড় দলের সাথে না খেললে উন্নতি করবে না। কিন্তু ২০ ওভারে ১ খানা চার্ মেরে বা ২৭ রানে অল আউট হয়ে গিয়ে
কি উন্নতি তারা করবে তা বলা খুব মুশকিল। এই সময়ে দাঁড়িয়ে ঘোষিত নীতির বাইরে গিয়ে আই সি সি কি অন্য কিছু ভাববে ? কারন এই প্রতিযোগিতা অনেক প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে। বড় দল গুলির আন্তর্জাতিকমান আর বাকিদের মানের মধ্যে আকাশ পাতাল পার্থক্য আছে। টেস্ট খেলিয়ে দেশ গুলিকে সরাসরি সুযোগ দেওয়ার কথা আই সি সি কি ভেবে দেখবে ? আর বাকিদের জন্য কি কোয়ালিফাইং প্রতিযোগিতা করা হবে? নাকি তাদের নিতিতেই আটকে থাকবে ? কোয়ালিফাইকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দেওয়া জেতেই পারে তাতে অসুবিধে নেই কিন্তু সরাসরি এদের খেলানোর কোনো যুক্তি কতটা সেটা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে । বরং সার্ক ক্রিকেটের মতো প্রতিযোগিতা আয়োজন করার কথা ভাবা যেতে পারে যেখানে টেস্ট না খেলা দেশ গুলির সাথে টেস্ট খেলিয়ে দেশের 'এ' দলের খেলা হত। তার জন্য সমস্ত মহিলা দলের 'এ' দলের উন্নতি করা সবার আগে জরুরি ।
#এক নজরেঃ

No comments:
Post a Comment